Friday, 22 May 2026

ডাক্তার আইজুদ্দিন ওরফে শরীফ আজাদের আমলনামা, পর্ব-১


এই পোস্ট টা টেস্ট বা স্যাম্পল পোস্ট। অনলাইনে ডাক্তার আইজুদ্দিন নামে একটা বস্তির ছাপড়িকে অনেকে দেখেছেন। সারাদিন এই জামাত শিবিরের গুপ্ত অনলাইনে সমস্ত আওয়ামীলীগের কর্মী, একটিভিস্টদের বিরুদ্ধে অপঃপ্রচার চালায়। তাদের বিরক্ত করে। হ্যারাস করে। গত প্রায় ২০ বছর ধরে আমাকেও নানানভাবে উত্যক্ত করে এসেছে যেগুলোর জবাব আমি  আসলে দেইনি। কিন্তু মানুষের ধৈর্য্যের একটা লিমিট থাকে। আমি মনে করি আমার সেই লিমিট এখন আমাকে জানান দিচ্ছে যে, আমার রেসপন্স করা দরকার।

আইজুদ্দিনের পুরা গুষ্টির পরিচয় নতুন তথ্য নিয়ে আমার কাছে এসে পৌঁছেছে। বাবা, মা, স্ত্রী, পূত্র, কন্যা, ভাই, বোন, জামাতী দুলাভাই ইত্যাদি। সব কিছুই আমি পাবলিক করে দিবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজকে জাস্ট জাস্ট স্যাম্পল হিসেবে এই ব্লগটা লিখতে বসলাম।

বলে রাখা ভালো তার এখনকার খুব ঘনিষ্ঠ একজনই ২০১২ বা ২০১৩ সালের দিকে তার সমস্ত পরিচয় আমার কাছে প্রকাশ করে দেয় এবং তিনিই আমাকে অনুপ্রেরণা দেন আইজুদ্দিনের পরিচয় প্রকাশ করে দেবার জন্য। তাদের এখনকার গলায় গলায় ভাব দেখে মজা পাই। যাই হোক, আইজুদ্দিন যেহেতু ব্লগ লাইফ থেকেই আমার শত্রু ফলে আমিও তার ছদ্ম নামের আড়ালে আসল কুতসিত লোকটাকে প্রকাশ করতে এক মিনিট দ্বিধা করিনি।

তবে আজকে যারা বন্ধু হিসেবে তার ঘাড়ে হাত দিয়ে বসে আছে, তাদের কাছেই কিন্তু আমি আইজুদ্দিনের ফোন নাম্বার, আসল নাম, ছবি এগুলো পাই। 

কাকে নিয়ে নোংরামি করেনি এই কুতসিত লোকটি? আওয়ামীলীগ যাতে আর ঘুড়ে দাঁড়াতে না পারে সে জন্য এখন দলের জন্য যারাই কাজ করছে তাদের পেছনেই সে লেগে তাদের প্রশ্নবিদ্ধ করছে, মানুষের চোখে তাদের ভিলেন বানাব্র কাজে মত্ত রয়েছে। আপনারা যদি তার ফেসবুক ঘাটেন, দেখবেন আওয়ামীলীগের এমন কোনো লোক নাই যাকে নিয়ে এই কুকুরটা নোংরামি করেনি।

মেয়েদের ছবি অনলাইন থেকে নিয়ে পোস্টে এড করে নোংরামি, অশালীন ইঙ্গিতে কথা বলা, এসব করে অনলাইনে আওয়ামীলীগকে মানুষের কাছে ভিলেন বানাবার কাজটা সে সুক্ষ্ণভাবে করে যাচ্ছে। এখন তার স্ত্রী আর কন্যার ছবি যদি একইভাবে অনলাইনে অন্যরা দেয়, তাহলে কি আসলেই অন্যায় হবে? সে তখন তার এসবের চাপ নিতে পারবে? তার চেহারাটা যেমন, কর্মকান্ডও তেমন।

ডাক্তার আইজুদ্দিনের এই ছদ্মনামের আড়ালের ব্যাক্তির নাম শরীফ আজাদ। আমেরিকার মিনেসোটার স্যাভেজে এই মুহুর্তে বসবাস করছে। ব্যাংক ক্রাপ্টেড, ৮ বার জেলে যাওয়া জেলের ঘুঘু। ক্রমাগত মানুষকে হ্যরাস করা, স্টক করা, ফোন করে উত্যক্ত করা এমন প্রায় ৮ টি ক্রিমিনাল রেকর্ড তার নামে রয়েছে।

ব্লগ বা সোশাল মিডিয়াতেও এই অভ্যাস সে বজায় রেখেছে। অন্যকে ক্রমাগত বিরক্ত করা, খিস্তি খেউড় করা, উত্যক্ত করা, বিরক্ত করা এগুলো তার নিত্য দিনের সঙ্গী। তার চেহারার দিকে তাকালেই বুঝবেন অপরাধীরা মূলত দেখতে কেমন হয়। একটা স্যাম্পল। তার স্ত্রীর নামেও ক্রিমিনাল রেকর্ড রয়েছে। ছেলে মেয়েদের বিষয়ে আর আলাপে গেলাম না। এই ছাড় তাকে দিচ্ছি কিন্তু হাতে রেখে দিলাম।

আমেরিকায় বসে ক্রমাগত ফ্রড/জালিয়াতি এবং নানাবিধ অপরাধের সাথে তার যুক্ততার রেকর্ড এর একটা অংশ নিয়ে আজকের এই ব্লগ। বাকি আরো বিস্তারিত লিখবো শিঘ্রী। আপাতত এই লেখাটিই ছড়িয়ে দিন। তার টুটি চেপে ধরুন। তাকে লাল করে দিন। এই কুকুরের বাচ্চার কোন মাফ নাই। শাস্তি তাকে পেতে হবেই।









এই পর্বে জাস্ট ভূমিকা। আসল খেলা কাল থেকে হবে।




No comments:

Post a Comment