Showing posts with label যুদ্ধাপরাধী. Show all posts
Showing posts with label যুদ্ধাপরাধী. Show all posts

Tuesday, 22 March 2016

একাত্তরের ঘাতকদের বিচারে মুসলিম আইডেনটিটির অপঃব্যবহার- পর্ব-৩




(খ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচার ও সেখানে মুসলিম আইডেনটিটির অপঃ ব্যবহার

এই লেখাটির ১ম পর্ব পড়তে হলে ক্লিক করুন এখানে
এই লেখাটির ২য় পর্ব পড়তে হলে ক্লিক করুন এখানে

বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সংঘটিত বর্বর গণহত্যার সাথে বাংলাদেশের যে সকল দালাল তথা রাজাকার,আল-বদর, আল-শামস এবং ইন্ডিভিজুয়াল যেসব ব্যাক্তি এই গণহত্যা এবং সেসময়ে এই যুদ্ধকালীন সময়ে বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত ছিলো, তাদের বিচার বাংলাদেশ সরকার একটি নিরপেক্ষ ট্রাইবুনাল এর মাধ্যমে অত্যন্ত সুচারু ও সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রতিপত্তি মুক্ত রেখে শুরু করেছে। ২০১০ সালের ২৫ শে মার্চ একটি গেজেট নোটিফিকেশানের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে ট্রাইবুনাল এবং ২৬ শে জুলাই ২০১০ সালে শুরু ট্রাইবুনালের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। এই ট্রাইবুনাল যেই আইনে পরিচালিত হচ্ছে, সেই আইনের নাম হচ্ছে- আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন-১৯৭৩। গত ২৫ শে মার্চ ২০১৬ সালে এই ট্রাইবুনালের বয়স গিয়ে দাঁড়ালো ৬ বছর।

এই বিচারটি শুরু হয়েছে ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ সরকারের নির্বাচনপূর্ব প্রতিশ্রুতি হিসেবেই। কিন্তু সত্যটা হচ্ছে এই রকমের যে একটি বিচার করবার জন্য একটি সরকারকে যেমন নিবেদিত প্রাণ, দক্ষ হতে হয় তার শতকরা ত্রিশ ভাগও এই সরকার দেখাতে পারেনি। 

এই আইন সম্পর্কে কিংবা আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের সম্পর্কে (সাবেক) আইনপ্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, এক সময়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মইনুদ্দিন খান আলমগীর, সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত, মতিয়া চৌধুরীকে নানান যায়গায় যেসব কথা বার্তা, বিবৃতি দিতে দেখেছি যেগুলো একটা পর্যায়ে বিচারিক ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরী করেছে। এমনকি সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত ও মতিয়া চৌধুরী ট্রাইবুনাল বিষয়ক নানান বক্তব্যের জন্য ট্রাইবুনালের কাছে ক্ষমাও প্রার্থনা করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হোসেন আপীলেট ডিভিশানের বিচারপতিদের নিয়ে যেই মন্তব্য করেছেন এই বিচার বিষয়ক কিছু ইস্যুওকে কেন্দ্র করে সেটির জন্য দু’জনেরই ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা হয়েছে এবং তাঁদের মন্ত্রীত্ব এখন প্রায় যায় যায় অবস্থায় রয়েছে।

উপরে যে বলেছি দক্ষতার কথা কিংবা নিবেদিত প্রাণের কথা সেটি বলছি এই ট্রাইবুনালকে নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের ব্যাপক আকারে মিথ্যাচার ও তার প্রেক্ষিতে সেটি ঠেকাতে সরকারের ব্যার্থতার পুরো ব্যাপারটি মাথায় রেখেই। মুক্তিযুদ্ধের পর যেখানে জেনারেল জিয়াউর রহমান, জেনারেল এরশাদ কিংবা বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মুক্তিযুদ্ধকালীন দালাল ও রাজাকার রা পুনর্বাসিত হয়েছে ও সেইসাথে মন্ত্রীত্ব পেয়েছে, জাতীয় সংসদে গিয়েছে সেখানে এটা আওয়ামীলীগ সরকারের সহজেই অনুমান করা উচিৎ ছিলো যে মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ৩৯ বছর পর এই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যথেষ্ঠ সংঘবদ্ধ হয়েছে, শক্তিশালী হয়েছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ভাবে প্রকট আকার ধারন করেছে। 

Monday, 21 March 2016

একাত্তরের ঘাতকদের বিচারে মুসলিম আইডেনটিটির অপঃব্যবহার- পর্ব-২

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী দুই সময়ের বিচার পর্ব এবং সেখানে মুসলিম আইডেনটিটির ব্যবহার


এই লেখাটির ১ম পর্ব পড়তে হলে ক্লিক করুন এখানে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একদিকে যেমন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো ও তাদের অনুসারীদের বক্তব্য ও চিন্তা করবার ভিন্নতা রয়েছে তেমনি সেটির সূত্র ধরে ঐতিহাসিক বিষয়াদির গুরুত্বও অনস্বীকার্য। এই অঞ্চলে ধর্মকে কতটা গুরুত্বপূর্ন করে দেখা হয়, এটার রাজনৈতিক অবস্থান, মেরুকরন ও রাজনৈতিক তারতম্যের কারনে ধর্মের অবস্থান ও জনতার ভাবনা প্রতিটি বিষয়-ই আসলে আলোচিত হওয়া একান্ত জরুরী। উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে হয়ত একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে অখন্ড পাকিস্তানে ধর্ম ব্যাপারটি সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। গুরুত্বপূর্ণ থাকলেও ধর্মের প্রতি আনুগত্য, মানবার প্যাটার্ন, ধর্ম পালন করবার রীতির মধ্যে ফারাক ছিলো দুই খন্ডের পাকিস্তান ভেদে। মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে পশ্চিম পাকিস্তান ঘোষনা দিয়ে হয়েছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র আর পূর্ব পাকিস্তান মানে বাংলাদেশ হয়েছে অসাম্প্রদায়িক মোনোভাবাপন্ন একটি রাষ্ট্র যেই রাষ্ট্রের চারটি মূলনীতির একটি নীতি-ই হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। 

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ধর্মকে সমীহ ও ধর্মকে যথাযথ পবিত্রতার মাধ্যমে পালন করলেও অধিকাংশ মানুষ ধর্ম নিয়ে কখনোই বাড়াবাড়ি করেনি কখনো। আর মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশ যুদ্ধ করেছে সকল ধর্মের মানুষ একত্রিত হয়েই। উল্লেখিত সেই সহযোগী বাহিনী, ব্যাক্তি ও তাদের অনুসারীরা ছাড়া আর কেউই মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ধর্মকে কখনোই এই যুদ্ধের প্রধান বিষয় বলে মনে করেনি কিংবা কখনোই মনে করেনি এই যুদ্ধ ভারতের চাল বা ছল, এমনকি এই যুদ্ধে বাংলাদেশ আলাদ রাষ্ট্র হলে ইসলাম বিপন্ন হবে কিংবা পাকিস্তান ভেঙ্গে গেলে ইসলাম শেষ হয়ে যাবে এমন কথাও সাধারণ মানুষ চিন্তা করেনি।

Sunday, 20 March 2016

একাত্তরের ঘাতকদের বিচারে মুসলিম আইডেনটিটির অপঃব্যবহার- পর্ব-১

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী নানাবিধ বাহিনী। খুন করে ৩০ লক্ষ কিংবা তারও অধিক সাধারণ বাংলাদেশীকে এবং লাঞ্ছিত ও নির্যাতন করে প্রায় ৪ লক্ষ কিংবা তারো বেশী নারী ও শিশুকে। পাকিস্তানী বাহিনীর যে হত্যাযজ্ঞের ব্যাপকতা ও পুরো ছক, সেই সমগ্র ছকের আওতায় সে সময় বাংলাদেশেরই কিছু রাজনৈতিক দল, ব্যাক্তি, গোষ্ঠী এই বাহিনীর সাথে মিলিত হয়ে সে সময় এই গণহত্যায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা করেছিলো। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যদি প্রধান সহযোগী হিসেবে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নাম বলা যায় তবে বলা যেতে পারে জামায়াতে ইসলামী, নেজাম-ই-ইসলামী, পাকিস্তান মুসলিম লীগ এবং পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি (পিডিপি)এর কথা। 

মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সাথে মিলিত হয়ে এই রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা, কর্মী, সমর্থক ও শুভাকাংখীরা মিলে এই বাংলাদেশেই মুক্তিযুদ্ধের সময় গড়ে তোলে নানা প্রকারের বেসামরিক, আধা সামরিক, ডেথস্কোয়াড সহ আরো নানাবিধ বাহিনী। পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সাথে এই সমন্বিত দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের একাত্নীকরণের উদ্দেশ্য ছিলো একটাই আর সেটি হচ্ছে স্বাধীনতাকামী মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ বাংলাদেশীদের হত্যা ও নির্যাতনের মাধ্যমে এই বাংলাদেশ ভূ-খন্ডে পশ্চিম পাকিস্তানের কর্তৃত্ব বজায় রাখা।

একটা বিশেষ লক্ষ্যনীয় ব্যাপার এই ক্ষেত্রে মনে রাখা খুব প্রয়োজনীয় যে মুক্তিযুদ্ধকালীন কিংবা তারও আগে এই পুরো পাকিস্তান রাষ্ট্র উৎপত্তি পূর্বক যে রাজনৈতিক, আদর্শিক কিংবা চিন্তার নানাবিধ প্যাটার্ন আমরা লক্ষ্য করেছিলাম সেখানে ধর্ম একটি বড় গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হিসেবে সামনে উঠে এসেছে।

Wednesday, 25 November 2015

রাজাকারদের প্রতি দরদ কেনো হলো বাংলাদেশে?

মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের শিউরে উঠা নৃশংশতা আর অভিজ্ঞতার পরেও সাকা আর মুজাহিদের মত দুইজন জলজ্যান্ত একাত্তরের ঘাতকদের পক্ষে এই বাংলাদেশে একজন হলেও যদি সহমর্মিতা দেখায় তবে ভাববার প্রয়োজন রয়েছে যে কেন সেটি হচ্ছে। সাময়িকভাবে আপনার হয়ত ক্ষোভ হতে পারে কিংবা ক্রোধে ক্রোধান্বিত হয়ে সেটি প্রকাশও করতে পারেন। সেটি করাই স্বাভাবিক কিন্তু কেন এটি হচ্ছে বা হোলো এগুলো নিয়ে কিছুটা হলেও গভীর ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে। আমি হয়ত সেই গভীর ভাবনা কিংবা দূর্দান্ত এনালিটিকাল একটা লেখা লিখবার জন্য যোগ্য নই বা সে ক্ষমতাও রাখিনা কিন্তু সামান্য ভাবনার খোরাক আমি আমার পাঠক/পাঠিকাদের জন্য হয়ত যোগাতে পারি। এই ভাবনার খোরাক নিয়েই হয়ত তাঁরা আরো সুগভীরভাবে ভেবে দেখবেন পুরো ব্যাপারটি।
আমি আমার পূর্বের অনেক লেখাতেই ১৯৭২ সালে যখন সর্ব প্রথম দালাল আইনে রাজাকার-আলবদরদের বিচার হয়েছিলো সে বিচারের নানা প্রাসঙ্গিক কথন আপনাদের সামনে হাজির করেছিলাম। সে সময়কার বিচারটা ছিলো এমন একটা সময় যখন মুক্তিযুদ্ধের দগদগে স্মৃতি আর ভয়াবহতার কথা শরীরে আরো তাজা হয়ে লেগে ছিলো। তার মানে এই নয় যে এখন আর সেটি তাজা নয়, কিন্তু সময়ের ক্রম বিবেচনা করলেও সে সময়কার স্মৃতি অনেক বেশী কাছাকাছি ও নৃশংসতাকে আরো বেশী স্পস্ট করে তোলে।
মুক্তিযুদ্ধের ঠিক পর পর এই দালাল আইনে বিচারের সময় জামাতী ইসলামী, নেজামী পার্টি, মুসলিম লীগ সহ যে যে দলের মধ্য থেকে রাজাকার, আলবদর তথা ঘাতকেরা মূলত উঠে এসেছিলো সেসব দল কিংবা দলের সদস্যরা দৌড়ের উপর ছিলো। মূলত সাড়ে সাত কোটি বাংলাদেশীদের মধ্যে অধিকাংশ বাংলাদেশী এই বিচারের পক্ষে ছিলো এবং এটাই সে সময় স্বাভাবিক ছিলো। স্বাভাবিকের থেকে সবচাইতে বড় ব্যাপার ছিলো যে কোনো অপরাধ রাষ্ট্রের ভূ-খন্ডে হলে এটা শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের উপরেই গিয়ে বর্তায় সে অপরাধের ন্যায্য বিচার করবার জন্য।

Saturday, 6 June 2015

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল ও বিচারিক বিষয়ের কিছু আইনী ভাষ্য

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বাংলাদেশের মূল ভবন 
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঘটে যাওয়া বিবিধ আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার একটি ঐতিহাসিক বিচা্রের উদাহরণ। পৃথিবীর ইতিহাসে বাংলাদেশের এই বিচার করবার পুরো প্রক্রিয়া, রাষ্ট্রের সদিচ্ছা, প্রসিজিওর, বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে নির্মূল করবার পদক্ষেপ এসব সব কিছু মিলিয়েই এই ট্রাইবুনাল, এই আদালত, এই আইন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন নিয়ে যারা পড়েন, গবেষনা করেন, আগ্রহী তাঁদের সকলের জন্যই বাংলাদেশের এই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচার সব সময়ের জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।

Thursday, 10 April 2014

সাঈদীর ডকুমেন্ট জালিয়াতি ও অবৈধ কর্মকান্ডের সকল ইতিহাস

আপনারা এরি মধ্যে সকলেই জানেন যে ১৯৭১ সালের নরঘাতক, খুনী, ধর্ষক, গণহত্যাকারী দেলু কিংবা দেইল্লা রাজাকারের ফাঁসীর আদেশ হয়েছে। এই আদেশ হয়েছে ১৯৭১ সালে তার সকল ঘৃণ্য কর্মকান্ডের জন্য। নীচে ১৯৭১ সালে দেলু রাজাকারের সকল কর্মকান্ডের একটি সার সংক্ষেপ নীচে ছবিতে প্রকাশ করা হোলো।




নাম জালিয়াতিঃ

দেইল্লার এইসব কর্মকান্ডের বিচার যখন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ট্রাইবুনাল-১ এ চলছিলো তখন দেইল্লা রাজাকারের আইনজীবিরা ট্রাইবুনালে প্রমাণ করবার চেষ্টা করছিলো যে একাত্তর সালের যে দেলু শিকদার বা দেইল্লা রাজাকারের কথা অভিযোগে বলা হচ্ছে সেই ব্যাক্তি আর বর্তমানের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এক ব্যাক্তি নয়। এই প্রমাণ করবার চেষ্টা হিসেবে দেলু রাজাকার আদালতে এও বলেছে যে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট যদি দেখা হয় তবে সেখানে তার নাম দেলোয়ার হোসেইন সাঈদী লেখা রয়েছে। সুতরাং অভিযোগের দেলু বা দেইল্লা রাজাকার সে নয় বরং ভিন্ন ব্যাক্তি।